
এলনিউজ২৪ডটকম : লোহাগাড়ায় বড়হাতিয়া ইউনিয়নের কুমিরাঘোনা এলাকায় বৈদ্যুতিক ফাঁদে বন্যহাতি মৃত্যুর ঘটনায় গত ২৬ নভেম্বর মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার বাদী চুনতি ফরেষ্ট রেঞ্জের অধীন বড়হাতিয়া বনবিট কর্মকর্তা মোঃ ইউনুচ মিয়া। লোহাগাড়া থানার মামলা নং-৪৩। ধারা জীব বৈচিত্র ও বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ এর তফসীল ১ এর ৩৬। মামলায় ৬ জনকে এজাহারভূক্ত ও ১৫/২০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে।
মামলায় এজাহারভূক্ত আসামীরা হলেন বড়হাতিয়া চাকফিরানী কালিনগরের মোঃ জামাল উদ্দিন প্রকাশ ডিপ জামাল (৪৫), খুসাঙ্গের পাড়ার বাদশা বড়–য়া (৪০), মুকুল বড়–য়া (৩০), বিকাশ বড়–য়া (২০), উপাসন বড়–য়া (৩০), সিকদার পাড়ার মোঃ এবাদুল্লাহ বাবুর্চি (৪৫)।

অভিযোগে প্রকাশ, বড়হাতিয়া ইউনিয়নের কুমিরাঘোনায় একদল চাষী বন্যশুকর মারার জন্য বৈদ্যুতিক তারের ফাঁদ স্থাপন করে। বন্যশুকর মারার পর কয়েকজন বড়–য়াসহ মিলে উক্ত শুকরগুলো বিক্রি ও অন্যত্র পাচার করে থাকে। পাচারের মধ্যে অভিযুক্ত কয়েকজন বড়–য়াও রয়েছে। এ ফাঁদে পড়ে গত ২৪ নভেম্বর দিবাগত রাতে বাচ্চাসহ বন্যহাতি প্রাণ হারায়।
বনবিট কর্মকর্তা জানান, মামলার আসামী মোঃ জামাল উদ্দিনের গভীর নলকূপের মোটরের বৈদ্যুতিক লাইন থেকে জিআই তারে সংযোগ দিয়ে ফাঁদ তৈরী করে। অন্যান্য অভিযুক্তরা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছে বন্যশুকর মেরে বিক্রি ও পাচার করেছে। এ ফাঁদেই বাচ্চাসহ বন্যহাতি প্রাণ হারায়। হাতি দু’টির মূল্য ৭৫ লাখ টাকা বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে
মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা চুনতি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ আবদুল জলিল জানান, মামলার ব্যাপারে তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। তবে মামলা রুজুর সংবাদ পেয়ে অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছে।
Lohagaranews24 Your Trusted News Partner