ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | স্বর্ণে মোড়ানো নেতাজির দাঁত জাপানে!

স্বর্ণে মোড়ানো নেতাজির দাঁত জাপানে!

file (34)

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নেতা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে ভারতের রাজনীতি বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তাল। কখনো বলা হচ্ছে, নেতাজি বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাননি। শুধু কি তাই দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু নেতাজিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন বলেও দাবি করা হচ্ছে।

কয়েকদিন আগে নেতাজির অন্তত ৬৫টি গোপন নথি প্রকাশ করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। তবে এবার নতুন একটি তথ্য জানালেন ব্রিটেন প্রবাসী ভারতীয় সাংবাদিক আশিস রায়। তিনি দাবি করেছেন, জাপানের রাজধানী টোকিও’র একটি মন্দিরে নেতাজির দাঁত এখনো স্বর্ণ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় সংরক্ষিত রয়েছে।

নেতাজির শেষ জীবনের ঘটনাপ্রবাহের বিভিন্ন তথ্য নথিভুক্ত করতে একটি ওয়েবসাইট ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ ডট বোসফাইলস ডট ইনফো (www.bosefiles.info) পরিচালনা করেন আশিস। সেখানে বলা হয়েছে, নেতাজির স্বর্ণ মোড়ানো দাঁত তার দেহাবশেষের মধ্যে এখনো টোকিও’র রেনকোজি মন্দিরে সংরক্ষিত আছে।

কেমন করে নেতাজির চিতাভস্মে পৌঁছাল সেই দাঁত? এ রহস্যের উদঘাটন করেছিলেন নেতাজির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও আজাদ হিন্দ ফৌজের কর্মকর্তা কর্নেল হাবিবুর রহমান। ব্রিটেন প্রবাসী আশিস বলছেন, হাবিবুর নিজের পুত্র নঈমুরকে জানান, জাপানে সুভাষচন্দ্রের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর ওই দাঁত তিনি সংরক্ষিত চিতাভস্মের পাত্রে রেখে দিয়েছিলেন। সেই পাত্র এখনো ওই মন্দিরে আছে।

ভারতীয় ওই সাংবাদিক জানান, হাবিবুর বলেছিলেন ফার্নেসে নেতাজির নিথর দেহ ঢোকানোর আগে দাঁতটি খুলে রেখেছিলেন এক কর্মী। পরে সেই কর্মী হাবিবুরকে ওই দাঁত দেন।

কয়েকদিন আগে আশীস নিজের ওয়েবসাইটে ঘোষণা দেন, ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট তাইওয়ানে বিমান দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন নেতাজি। এরপর সেই রাতেই সামরিক হাসপাতালে তিনি মারা যান। নিজের দাবির পক্ষে বেশ কিছু প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষাৎকার ও প্রমাণ তুলে ধরেন তিনি।

গত ২৩ জানুয়ারি নেতাজি সংক্রান্ত নথি প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে বলা হয়েছে, নেতাজির এই স্বর্ণের দাঁতের বিষয়টি আশিস ১৯৯৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নরসিংহ রাও, বিরোধী নেতা অটলবিহারী বাজপেয়ী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু, জনতা দলের তৎকালীন সভাপতি এস আর বোম্মানি এবং ফরওয়ার্ড ব্লকের সাধারণ সম্পাদক চিত্ত বসুকে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*