ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | সীমান্তে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত : সাতকানিয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সীমান্তে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে বিজিবি সর্বদা প্রস্তুত : সাতকানিয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

BGB-PIC-1-1_1

নিউজ ডেক্স :  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এমপি বলেছেন, সীমান্তে যেকোনো বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আমাদের বিজিবি সর্বদা সর্তকাবস্থায় রয়েছে। আমাদের বিজিবি দেশকে খুবই ভালোবাসে। তারা অত্যান্ত শক্তিশালী। আপনারা দেখেছেন বিজিবি জীবন বাজি রেখে দেশের জন্য কাজ করছে। আমাদের বিজিবি কখনো মাথা নথ করবে না। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে তাদের সাথে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, সীমান্তে মিয়ানমারের সৈন্যদের টহল বাড়ানোর বিষয়ে তাদের কাছে জানতে চেয়েছি, তারা আমাদেরকে জানিয়েছে জিরো লাইনে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা নাকি মায়ানমারে ঢুকানো চেষ্টা করছে। এই জন্য তাদের সীমান্তে সৈন্যদের টহল বাড়িয়েছেন বলে তারা আমাদের জানিয়েছেন। অতিথে তাদের কর্মকা-ের বিষয়ে আমাদের অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। তারা যা বলেন তা করে না। আমরা এগুলাও দেখছি। ১ মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সাতকানিয়ার বায়তুল ইজ্জতে ৯১-তম ব্যাচ রিক্রুটদের সমাপনী কুচকাওয়াজ শেষে দুপুরে সীমান্ত বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

এবার চতুর্থ দফায় বিজিবিতে ৪৭ জন নারী সৈনিক প্রশিক্ষণ নিয়েছে। বিজিবি‘র একমাত্র প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার এন্ড স্কুলে অনুষ্ঠিত সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির সঙ্গে অভিবাদন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন। বায়তুল ইজ্জত বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার এন্ড কলেজের কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসেন এনডিসি, পিএসসি। কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ২৪ পদাতিক ডিভিশনের অফিসার মেজর জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা, বান্দরবানের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, বান্দরবান বোমাং সার্কেলের রাজা প্রকৌশলী উচ প্রু চৌধুরী, সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন, সাতকানিয়া অফিসার ইনচার্জ মো. রফিকুল হোসেন, সীমান্ত ব্যাংকের কেরানীহাট শাখার ম্যানেজার মো. রকিব মিয়া ও কেরানীহাটের ব্যবসায়ী মো. সেলিম। তাছাড়া চট্টগ্রাম অঞ্চলের সামরিক ও বিজিবি উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বেসামরিক প্রশাসন ও পুলিশ কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। কুচকাওয়াজে প্যারেড কমান্ডার ছিলেন মেজর কাজী মঞ্জুরুল ইসলাম ও প্যারেড এ্যাডজুটেন্ট সহকারী পরিচালক মো. শাহাদত হোসেন।

প্রধান অতিথি কুচকাওয়াজে সৈনিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিজিবি একটি দক্ষ, চৌকষ ও এবং প্রশিক্ষিত বাহিনী। একটি বলিষ্ঠ ও দক্ষ বাহিনী গড়ে তোলার জন্য সবচেয়ে বেশী প্রযোজন কঠোর প্রশিক্ষন, সৎচরিত্র , মানসিক দৃঢতা, অধ্যাবসায়, শৃঙ্খলাবোধ এবং সঠিক নেতৃত্ব। তিনি সকলকে সর্বদা উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও আনুগত্যশীল থাকার এবং নিজেদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বসুলভ মনোভাব বজায় রাখার উপদেশ দেন।

সকাল ১১ঘটিকা হতে পর্যায়ক্রমে মার্কারদের প্যারেডে যোগদান, বাদক দলের মাঠে প্রবেশ, রিক্রুটদের প্যারেড মাঠে প্রবেশ, জাতীয় ও বিজিবি পতাকাবাহী দলের প্রবেশ, প্রধান অতিথির আগমন ও প্যারেড পরিদর্শন, রিক্রুটদের শপথ গ্রহণ, পুরস্কার বিতরণ, প্রধান অতিথির ভাষণ, সংঘবদ্ধ কুচকাওয়াজ, বাদকদলের মার্চ প্রভৃতি আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে দুপুরে অনুষ্ঠান মালা সমাপ্ত হয়। প্রধান অতিথি ৯১তম রিক্রুট ব্যাচে সৈনিকদের মধ্য হতে কুচকাওয়াজে সর্ববিষয়ে শ্রেষ্ঠ মো. তুহিন মিয়াকে পুরস্কার প্রদান করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*