ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | সাতকানিয়ায় সিএনজি অটোরিক্সা ধর্মঘট : যাত্রীদের দূর্ভোগ

সাতকানিয়ায় সিএনজি অটোরিক্সা ধর্মঘট : যাত্রীদের দূর্ভোগ

219

এলনিউজ২৪ডটকম : পুলিশি হয়রানীর প্রতিবাদের ১ জুলাই সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত টানা ৭ঘন্টা সাতকানিয়ায় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ধর্মঘট পালন করে। সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক ও মালিক সমিতি যৌথভাবে এ ধর্মঘট পালন করে।

এ সময় উপজেলার বিভিন্ন রুটে সিএনজি চলাচল বন্ধ থাকে। ফলে উপজেলা সদরের সাথে ইউনিয়ন পর্যায়ের যোগাযোগ অনেকটা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। উপজেলার কেরানীহাট-সাতকানিয়া, রাস্তারমাথা-সাতকানিয়া, ডলুব্রীজ-বাঁশখালী, কেরানীহাট-হাঙ্গরমুখ, সাতকানিয়া-আমিলাইষ ও কেরানীহাট-বাজালিয়া লাইনের সিএনজি চলাচল বন্ধ থাকলে এসব সড়কে নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক -শিক্ষার্থী ও অফিসে চাকুরীজীবিরা পায়ে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছানে দেখা গেছে। বিশেষ করে সাতকানিয়া সরকারী কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হতে দূর দূরান্ত থেকে আসা অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের দূর্ভোগ পোহাতে হয়েছে বেশী। অনেকে কলেজের অবস্থান কোথায় তা জানেন না। এদিকে স্থানীয় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চলাচল বন্ধ তার উপরে সারাক্ষন গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। যে কয়েকটি ব্যাটারি চালিত রিক্সা পাওয়া যাচ্ছে তাও অতিরিক্ত ভাড়া দাবী করছে। অবস্থা বেগতিক দেখে অবশেষে সাতকানিয়া থানা কর্তৃপক্ষ সিএনজি মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সাথে বৈঠক করে গাড়ী চলাচলের ব্যবস্থা নেন। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি হাসান আলী বলেন, পুলিশি হয়রানীর প্রতিবাদে আমরা উপজেলার সব রুটে সিএনজি চলাচল বন্ধ রাখি, পরে ওসি’র সাথে বৈঠকে সমঝোতা হলে গাড়ী চালানোর সিদ্ধান্ত হয়। এদিকে গাড়ী চলানোর সিদ্ধান্ত হলেও সিএনজি চলাচল স্বভাবিক হয়নি।

বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ইফতারের আগ মুহুর্তে সিএনজির অপেক্ষায় ঘরে ফেরা মানুষের ভিড় দেখা যায় কেরানীহাট এলাকায়। ডলুব্রীজ সিএনজি মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক আবদুল হান্নান জানান, গতকাল (মঙ্গলবার) প্রায় ২০টি সিএনজি আটক করে নিয়ে যায় থানা, এভাবে প্রতিদিন গাড়ী আটক করে টাকা আদায় করা হয় মালিক ও শ্রমিকদের নিকট হতে। অথচ থানার সাথে আমাদের মাসিক হিসাব-নিকাশ রয়েছে। আবার অনেকের সাথে রয়েছে টোকেন হিসাব। এরপরও হয়ারানী করা হয়। এসব হয়রানী বন্ধের প্রতিবাদে ধর্মঘট পালন করা হয়। পরে থানায় একটি বৈঠকের মাধ্যমে সমঝোতা হলে গাড়ী চালানোর সিদ্ধান্ত দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে সাতকানিয়া অফিসার ইনচার্জ মো. ফরিদ উদ্দিন খন্দকার পুলিশি হয়রানীর কথা অস্বীকার করে বলেন, সিএনজি আটক করে টাকা আদায় করা হয় এ অভিযাগ ঠিক নয়, মূলত রমজানের সময় কেরানীহাট এলাকায় যানজট সৃষ্টির কারনে এসব সিএনজি থানা নিয়ে আসার হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*