ব্রেকিং নিউজ
Home | লোহাগাড়ার সংবাদ | লোহাগাড়ায় কাঁচাবাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম : ঠকছে ভোক্তারা

লোহাগাড়ায় কাঁচাবাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম : ঠকছে ভোক্তারা

IMG_20180404_113312

এলনিউজ২৪ডটকম : লোহাগাড়া বটতলী কাঁচা বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্মে ক্রেতারা ন্যায্য মূল্যে মালামাল ক্রয়ে বঞ্চিত হচ্ছেন। নজরদারী খবরদারীদের রহস্যজনক নীরবতায় এ সমস্যা দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। ক্রেতারা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুব আলম জানিয়েছেন, তিনি এ ব্যাপারে জেনেছেন। তবে কেউ তাঁর কাছে লিখিত অভিযোগ করেননি। তবে অনতিবিলম্বে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা যায়, লোহাগাড়া বটতলী মোটর ষ্টেশনে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকার মাছ, তরিতরকারি কেনাবেচা হয়। ইজারাদারের নামে রাজনৈতিক পৃষ্টপোষকতায় একটি মহল পেশীশক্তিতে বলিয়ান হয়ে জোর পূর্বক প্রান্তিক মৎস্য উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে মাছ নিয়ে নেয়। তাদের দৌরাত্মে চকরিয়া, কক্সবাজার এলাকার মাছ ব্যবসায়ীরা মাছ নিয়ে আসেন না। চকরিয়া, কক্সবাজার এলাকায় প্রান্তিক মৎস্য উৎপাদনকারীরা যদি মাছ নিয়ে যথাযথভাবে বিক্রি করতে পারেন, তাহলে কেজিতে প্রকারভেদে ১০০ টাকা থেকে আরো বেশী কম দামে ভোক্তারা মাছ কিনতে পারেন। সরেজমিন দেখা যায়, কাঁচা বাজারে হাতে গোনা কয়েকটি দোকান রয়েছে। যার স্বত্বাধিকারী এক জনই। তিনি আবার পাইকারী বাজার নিয়ন্ত্রণ করেন। তার ইচ্ছায় কাঁচা বাজারের সব্জির দাম উঠানামা করে। ফলে ভোক্তারা ন্যায্য মূল্যে সব্জি কিনতে পারেন না। রাস্তার উপরে হাট বসানোর বিধান নেই। মহাসড়কের দু’পাশে ফুটপাত দখল করে কাঁচাবাজার বসে। এতে ক্ষেত্রভেদে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৩/৪ বার টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজী হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে শারিরীক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। লোহাগাড়া থানার পুলিশের নামেও চাঁদা আদায় হয় বলে ক্রেতা-বিক্রেতারা অভিযোগ করেছেন। স্থায়ী দোকানের সামনে ফুটপাতে দোকান বসিয়ে ত্রিমুখী খাজনা দেয়া হয়। হচ্ছে।

অনতিবিলম্বে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম বন্ধ ও কাঁচা বাজার মনিটরিং, ফুটপাতে মুরগীসহ অন্যান্য দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করার দাবী জানানো হয়েছে। ক্রেতারা আরো অভিযোগ করেছেন, সুযোগ বুঝে মাছ-মাংস ও তরিতরকারিতে ওজনে কম দেয়া হয়। এ সমস্যা দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*