ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | মেডিকেল ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট

মেডিকেল ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট

image_7185

নিউজ ডেক্স : মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার আগের দিন ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল প্রথম বর্ষে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে বলে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং বিগত বর্ষের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় বিচারিক কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।

রিটে স্বাস্থ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সাতজনকে বিবাদী হিসেবে রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে আবেদনে ২৯ আগস্ট স্বাস্থ্য অধিদফতরে ভর্তি-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতাও স্থগিত চাওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ বলেন, ২৯ আগস্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওই বিজ্ঞপ্তি অনুসারে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট জিপিএ-৯ ও লিখিত পরীক্ষায় পাসের জন্য ৪০ শতাংশ নম্বর পাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। আগে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে মোট জিপিএ-৮ পেলেই চলত। তখন এসএসসি ও এইচএসসিতে পাওয়া জিপিএ ও নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হতো। আগে মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে মূল্যায়ন করা হলেও এখন তা বাড়িয়ে ২০০ নম্বর করা হয়েছে।

আইনজীবী জানান, রিট আবেদনে ২০১৬ সালের ২৯ আগস্ট স্বাস্থ্য অধিদফতর কর্তৃক জারি করা ভর্তি বিজ্ঞপ্তির অনুচ্ছেদ ২, ৬, ৭ ও ৮ কে অবৈধ ঘোষণার আর্জি জানানো হয়েছে।

এছাড়া মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ (পয়েন্ট টোয়েন্টি ফাইভ) কেটে নেয়া হয়, তাও অবৈধ ঘোষণার জন্য রুল চাওয়া হয়েছে।

বর্তমানে কম্পিউটারে পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে কর্তৃপক্ষের ভুলের কারণে মেধাবী অনেক শিক্ষার্থী যোগ্যতা থাকার পরও ভর্তি হতে পারছে না।

আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ জানান, লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর বাড়ানোর ফলে অনেক শিক্ষার্থী বঞ্চিত হচ্ছেন। এছাড়া আগে এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৮ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারতেন। কিন্তু নতুন বিজ্ঞপ্তিতে জিপিএ-৮ থেকে বাড়িয়ে ৯ করা হয়েছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছেন না।

আইনজীবী জানান, মেডিকেল এবং ডেন্টাল অ্যাক্ট অনুযায়ী পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালনার কথা যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মেডিকেল এবং ডেন্টাল কাউন্সিল। কিন্তু সরকারের মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর এসব পরীক্ষা পরিচালনা করছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*