ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এবার নতুন বিতর্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এবার নতুন বিতর্ক

us-large20150922070650

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এবার নতুন একটি বিতর্ক শুরু হয়েছে। আর এ বিতর্ক শুরু হয়েছে দেশটিতে মুসলিম নাগরিকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া নিয়ে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির একজন সম্ভাব্য প্রার্থী বেন কারসন বলেছেন, ইসলাম ধর্ম মার্কিন সংবিধানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। আমেরিকার টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এনবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে কারসন বলেছেন, একজন মুসলিমকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করা উচিত নয়।

তার বক্তব্যের পর প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে দেশটির মুসলিম গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে। তারা বলছেন, এমন বক্তব্য দিয়ে কারসন প্রেসিডেন্ট হিসেবে মনোনয়ন পাবার যোগ্যতা হারিয়েছেন। এর আগের দিনই প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে মুসলমান বলার প্রতিবাদ না করায় রিপাবলিকান মনোনয়ন প্রত্যাশী ডোনাল্ড ট্রাম্প তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের এখন প্রার্থীরা দলের মনোনয়ন লাভের লড়াইয়ে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। কেন এ প্রচারণায় ইসলাম বা মুসলমানদের নিয়ে এসব বক্তব্য আসছে? ওয়াশিংটনে ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এক ধরনের ইসলামোফোবিয়া বা ইসলাম ভীতি আছে। সেই ভীতিটা আসলে রক্ষণশীলদের তৈরি করা একটা ভীতি।

তারা মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রচারণা চালান। রিপাবলিকান দলের অত্যন্ত রক্ষণশীলদের একটি অংশ এটাকে ব্যবহার করে রিপাবলিকান দলের মধ্যে তাদের সমর্থন তৈরি করতে চাচ্ছেন। এই দলটির বাইরে এর কোনো আবেদন আছে বলে মনে হয় না।

বেন কারসন বলেছেন ইসলামি মূল্যবোধ মার্কিন সংবিধানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কি আছে সেদেশের সংবিধানে ? এমন প্রশ্নের জবাবে আলী রিয়াজ বলেন, আর্টিক্যাল ৬-এ বলা হয়েছে ধর্ম কোন ধরনের সরকারি রাষ্ট্রীয় বা জনস্বার্থ পদে অধিষ্ঠিত হবার ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে না। ইসলামি মূল্যবোধের সঙ্গে সংবিধানের বিরোধ কোথায় সেটা বেন কারসন বলেননি। এটা আসলে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা। ইসলাম বিরোধিতাকে জাগিয়ে তোলা বা ব্যবহারের জন্যেই এসব বলা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমান ভোটার কতো ও রাজনীতিতে তাদের প্রভাব কতো জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রায় তিন মিলিয়ন মুসলমান রয়েছে। কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে মুসলমানদের প্রভাব রয়েছে। কিন্তু তারচেয়ে বড় বিষয় যুক্তরাষ্ট্রের সমাজ ব্যবস্থা ও সাম্যের জন্যে এটা ক্ষতিকর।

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*