Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | মানবপাচার প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতাই মুখ্য

মানবপাচার প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতাই মুখ্য

police20150602204123

মানবপাচার প্রতিরোধে আইন-শৃংখলা বাহিনীর তৎপরতার চেয়েও সামাজিক সচেতনতাই মুখ্য ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এ কে এম হাফিজ আক্তার। সোমবার রাতে বাঁশখালী থেকে চট্টগ্রামের শীর্ষ মানবপাচারকারী ছয় মামলার আসামি আব্দুর রাজ্জাক (৫৫) নামে একজনকে গ্রেফতারের পর মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জনপ্রতিনিধি ও মসজিদের ইমামদের নিয়ে জনসচেতনামূলক সভা করে চলছে জেলা পুলিশ। ইতোমধ্যে শুরু হওয়া এ সচেতনামূলক কার্যক্রমের সুফলও পুলিশ পেতে শুরু করেছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা। ভৌগলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে মানবপাচারকারী চক্র দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সহজ সরল মানুষকে প্রভাবিত করে এখানে নিয়ে আসে। আর একাজে তারা এখানকার বেশ কিছু সহযোগিদের ব্যবহার করে থাকেন। এদের মধ্যে সোমবার রাতে গ্রেফতার হওয়া শীর্ষ মানবপাচারকারী আব্দুর রাজ্জাক অন্যতম।

পুলিশ এর সুফল পেতে শুরু করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমরা বাঁশখালী, আনোয়ারা ও সীতাকুণ্ডের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে এলাকার গণমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সচেতনামূলক সভা করেছি। মসজিদের ইমামদের জুমার নামাজের আগে এ বিষয়ে সচেতনামূলক বক্তব্য দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। মানবপাচারকারীদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার অনুরোধ করেছি।

জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে হাফিজ আক্তার বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধ করতে এখন প্রয়োজন সকলের সম্মিলিত প্রয়াস। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে বেশি করে জনসচেতনামূলক সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও মসজিদের ইমামদের এক্ষেত্রে জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে। আমরা ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জনসচেতনামূলক কাজ শুরু করেছি। চট্টগ্রামে গত পাঁচ বছরে মানবপাচার আইনে ১৩টি মামলা দায়ের হয়েছে বলেও জানান এসপি হাফিজ আক্তার।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) মো. শহীদল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) হাবীবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) নাঈমুল হাসান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*