Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | ভোট জালিয়াতি ও সহিংসতার বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন আছে যুক্তরাষ্ট্রেরের

ভোট জালিয়াতি ও সহিংসতার বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন আছে যুক্তরাষ্ট্রেরের

11195485_756662554454117_700324288_n

ইরফান এইচ সায়েম : ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট বলেছেন, আজকে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতি, ভয়-ভীতি প্রদর্শন, এবং সহিংসতার যে সব ঘটনা ঘটেছে তার প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে ব্যাপক ও বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার মার্কিন দূতাবাসের এক বিবৃতিতে একথা বলেছেন দেশটির ঢাকাস্থ রাষ্ট্রদূত মার্শ স্টিফেন্স ব্লুম বার্নিকাট।

এর আগে এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, যেকোন উপায়ে জেতা, আসলেই কোন জেতা নয়। একইসঙ্গে বিএনপি সিটি করপোরেশন নির্বাচন বয়কটের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা হতাশাজনক বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

বিবৃতিতে বিশ্বের ক্ষমতাশালী দেশটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, যে সমস্ত অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে সেগুলোর স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। আইনের আওতায় থেকে কাজ করার জন্য এবং যে কোনো ধরনের সহিংসতা এড়ানোর জন্য আমরা সকল পক্ষের প্রতি আহবান জানাই। রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে কোনো ধরনের সহিংসতার আশ্রয় গ্রহণের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।

ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনে মার্কিন এ রাষ্ট্রদূত সিটি নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন।

দুপুরে তিনি ঢাকা উত্তরের এক ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনকালে বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচন করার বিষয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতি ছিল।

অপর এক টুইট বার্তায় মার্কিন এ রাষ্ট্রদূত বলেছেন, সিটি নির্বাচনে সহিংসতা হতাশাজনক।

এর আগে সোমবার তিনি টুইট বার্তায় লিখেছিলেন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হল গণতন্ত্রের ভিত্তি। আশা করি আগামীকালের ভোট এই স্পিরিটের একটি উদাহরণ হবে।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেন্স ব্লুম বার্নিকাট মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে সিটি নির্বাচনের পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।

বার্নিকাট ওই কেন্দ্রে ৪০ মিনিট অবস্থান করেন। এসময় ২৫ মিনিটে মাত্র ৪ জন ভোট প্রদান করেন। ওই সময়ে পুরুষ বুথে সরকারি দল সমর্থিত প্রার্থীদের এজেন্ট ছাড়া অন্য কোনো এজেন্ট ছিল না।

তিনি এসময়ে আরো বলেন, বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের পোলিং এজেন্ট না থাকার অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের খতিয়ে দেখা উচিত।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*