ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর অবশেষে বৃহস্পতিবার চালু হচ্ছে

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর অবশেষে বৃহস্পতিবার চালু হচ্ছে

Panchagarh-Land-Port-Pic-0220160215125832

নিউজ ডেস্ক : অপেক্ষার পালা শেষ। অবশেষে চালু হতে যাচ্ছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন সুবিধা। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দুই দেশের মন্ত্রী এই কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, বাংলাদেশ, ভারত এবং নেপালের মধ্যে ত্রি-দেশিয় ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে ১৯৯৭ সালের ১সেপ্টেম্বর পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের পথচলা শুরু হয়। এরপর ২০০৪ সালের ২২ মে স্থলবন্দরের ওয়ার হাউজসহ অবকাঠামোর উদ্বোধন করা হয়। এরপর থেকে বাংলাদেশ এবং নেপালের মধ্যে সীমিতভাবে পণ্য আনা নেয়া শুরু হয়।

২০১১ সালের ২২ জানুয়ারি ভারতের তৎকালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখ্যার্জি ও বাংলাদেশের কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী যৌথভাবে ত্রি-দেশিয় স্থলবন্দর হিসেবে বাংলাবান্ধা-ফুলবাড়ি স্থলবন্দরের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

বাংলাবান্ধার ভৌগোলিক অবস্থান ভারতের শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, নেপালের কাকরভিটা এবং ভুটানের ফুয়েন্টসলিং শহরের বেশ কাছাকাছি। এই স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন সুবিধা চালু হলে কম খরচে উভয় দেশের মানুষ যাতায়াত করতে পারবে। বাংলাবান্ধা থেকে মাত্র ৯ কিলোমিটার দূরে ভারতের শিলিগুড়ি, ১০ কিলোমিটার দূরে জলপাইগুড়ি, ৫৮ কিলোমিটার দূরে দার্জিলিং, ৬১ কিলোমিটার দূরে নেপালের কারকরভিটা তথা মিচি শহর এবং ৬৮ কিলোমিটার দূরে ভুটানের ফুয়েন্টসলিং শহর অবস্থিত। এজন্য দীর্ঘদিন থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টরা এই স্থলবন্দর দিয়ে ইমিগ্রেশন সুবিধা দাবি করে আসছিলেন।

পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ইমিগ্রেশন সুবিধা চালুর দিন নির্ধারণ হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইমিগ্রেশন সুবিধা চালুর বিষয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকেই আগামী বৃহস্পতিবার ইমিগ্রেশন সুবিধা চালুর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জেনারেল (অব.) বিজয় কুমার সিং এবং ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা ইমিগ্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

এদিকে, স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ইমিগ্রেশন সুবিধা চালুর সিদ্ধান্তে পঞ্চগড়ের সর্বত্র আনন্দ আর উল্লাসের প্রস্তুতি দেখা গেছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আনন্দ শোভাযাত্রা করার কথা রয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মঙ্গলবার দলীয়ভাবে আনন্দ শোভাযাত্রা করার কথা জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*