ব্রেকিং নিউজ
Home | উন্মুক্ত পাতা | দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের কমিটি নিয়ে কিছু কথা

দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের কমিটি নিয়ে কিছু কথা

13310420_1637658006559157_4925951330321475609_n

শাহিদা আক্তার জাহান : টেবিলে রাখা সংবাদপত্র গুলোতে চোখ বুলাইতেই দেখি গত মঙ্গলবার ২১ শে ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের প্রায় সংবাদ পত্র গুলোতে আমার ছবি সহ নিউজটা ছাপানো হয়েছে। যদিও শিরোনামটা একটু হাস্যকর ছিলো তবুও অধিকাংশ পত্রের ভেতরের খবর গুলো সত্য এবং বাস্তব ছিলো। একটু অসুস্থ ছিলাম তাই এই ব্যাপারটা নিয়ে কিছু বলতে পারি নি,মনে হয় এখন কিছু বলা উচিত….
.
তার আগে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই আমার সেসব শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি যারা আমার ভালো সময়ে-আমার খারাপ সময়ে সবসময় আমার পাশে ছিলেন-আছেন-থাকবেন। আপনাদের সাথে আমার সম্পর্ক আত্নার। আপনাদের ঋণ শোধ করার ক্ষমতা আমার নেই। সব সময় আপনাদের পাশে আছি-থাকবো। আশা করি আমার আগামীর পথ চলাতেও সবসময় আপনারা আমার পাশে থাকবেন…

আর হ্যাঁ কেউ কেউ বলছে আমি #স্ট্রোক করেছি। উপরওয়ালার দয়ায় আসলে তেমন কিছুই হয় নি। সম্মেলন নিয়ে একটু চিন্তিত আর উত্তেজিত ছিলাম তাই ঘুম আর খাওয়া-দাওয়ায় একটু অনিয়মের কারণে একটু অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। এর বাইরে আর কিছু না। আর কেউ কেউ কমিটিতে আমার পদবী নিয়ে জানতে চেয়েছেন। আমি কমিটিতে #সিনিয়র_সহ_সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছি…।

প্রায় তিন যুগ সময় ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারন করে সেই ৯০-এর স্বৈরাচারী আন্দোলন থেকে শুরু করে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে সাতকানিয়া-লোহাগাড়া জামাত অধ্যুষিত এলাকায় অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে আমার রাজনীতি। এই পর্যন্ত রাজনীতি আমাকে যা সম্মান দিয়েছে সব আমার কাজের ফল। কারো দয়া কিংবা করুণায় পাই নি বরং নষ্ট রাজনীতির কারণে প্রাপ্য সম্মানের যেটুকু বেশি পাওয়ার কথা ছিলো তা না পাওয়ার কারণে মাঝেমধ্যে রাজনীতির প্রতি খুব রাগ আর অভিমান হয়…..

২০ বছর ধরে অ-পে-ক্ষা করেছি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলায় নতুন কমিটি হবে। অনেক কিছুই ত্যাগ স্বীকার করেছি এই কমিটির জন্য…অনেক কিছু-ই। না…আমার পদ পাওয়াটা জরুরী ছিলো না। আমি শুধু চেয়েছিলাম মেধা,শ্রম এর মূল্যায়ন হোক। যারা মাঠে কাজ করেছে তাদের মূল্যায়ন হোক। যোগ্যতা প্রদান করা হোক যোগ্য ব্যক্তি কে। যোগ্যাতা প্রদান করা হোক ভোটে, ক্ষমতার জোরে না। আমার প্রতিবাদ #পদের জন্য ছিলো না আমি শুধু চেয়েছিলাম নেতৃত্ব আসুক কাউন্সিলদের #ভোটের মাধ্যমে…ভোট চাই ভোট..।

কিন্তু কি দেখলাম,,,কাউন্সিলরদের কথা পাত্তা না দিয়ে,দ্বিতীয় অধিবেশনে কোনরকম ভোট না করে একতরফা ভাবে প্রথম অধিবেশনেই পকেট কমিটি ঘোষণা করা হলো..!!! দীর্ঘদিন ধরে মাঠে যুদ্ধ করে আসা কর্মীদের মূল্যায়ন না হয়ে মূল্যায়ন হয়েছে উড়ে এসে জুড়ে বসা পাখি গুলোর…!!! বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে ওই অনিয়ম মানা আমার পক্ষে সম্ভব ছিলো না তাই আমার প্রতিবাদ…..

যাই হোক কথা হচ্ছে,,,তাল গাছ সারা জীবন কারো অধীনে থাকে না, রাতের পর দিন আসে আবার দিনের পর রাত আর রাজনীতিতেও শেষ বলে কিছু নেই। আপনি যদি বিশ্বাস করেন উপরে কেউ একজন আছেন,যিনি বিচারকদের শ্রেষ্ঠ বিচারক তাহলে “আপনি আপনার ভালো-মন্দ কাজের ফল অবশ্যই পাবেন-ই….”
.
#নোংরা রাজনীতি কে #না বলুন… #জয়_বাংলা #জয়_বঙ্গবন্ধু

লেখক : সদস্য, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ ও সিনিয়র সহ-সভাপতি, দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*