ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | ছাত্রী হয়রানির অভিযোগে এসআই বরখাস্ত

ছাত্রী হয়রানির অভিযোগে এসআই বরখাস্ত

Police20160201072130

নিউজ ডেস্ক : ছাত্রী হয়রানি ও অনৈতিক প্রস্তাব দেয়ার অভিযোগে আদাবর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রতন কুমারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সোমবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করে তেজগাঁও পুলিশ।

বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ঘটনা বিকেলে (রোববার) হলেও রাত ১১টা ৩ মিনিটে শোনার পরপরেই এসআই রতনকে প্রত্যাহার করার আদেশ দেই। তবে সকালে (সোমবার) বিষয়টি আরো গুরুতর জানতে পেরে সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করার আদেশ দিয়েছি।

পরবর্তী নির্দেশনা ও তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত এসআই কর্মে যোগদান করতে পারবে না বলেও জানান তিনি।

ডিসি আরো বলেন, “ব্যক্তির দায় বাহিনী নেবে না। অপরাধ করলে তার রেহাই নেই। প্রয়োজনে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

উল্লেখ্য, গতকাল রোববার বিকেলে মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদের সামনে আশা ইউনিভার্সিটির ওই ছাত্রীকে হেনস্তা করার অভিযোগ ওটে। শুধু তাই নয়, রিকশা থেকে জোর করে নামিয়ে একটি দোকানের ভেতরের নেয়া হয়। পরে ইয়াবা ব্যবসায়ী বানানোর অপচেষ্টাও চলে। দেয়া হয় অনৈতিক কাজের প্রস্তাব।

জানা যায়, গতকাল রোববার বিকেলে শ্যামলীস্থ আশা ইউনিভার্সিটির ওই শিক্ষার্থী ইউনিভার্সিটি থেকে বেরিয়ে বই কিনতে শিয়া মসজিদের দিকে রিকশায় যাচ্ছিলেন। সেখানেই এসআই রতন হয়রানির চেষ্টা করেন।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী জানান, ঘটনার পরপরেই থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করবে।

ছাত্রীর অভিযোগ, বিকেলে তিনি ইউনিভার্সিটি থেকে বেরিয়ে বই কিনতে শিয়া মসজিদের দিকে রিকশায় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মসজিদের বিপরীতে আদাবর থানার এসআই রতন কুমারসহ পুলিশের তিন সদস্য তাকে বহনকারী রিকশাটি থামান এবং কোনো কিছু বলার আগেই তার কাছে ইয়াবা আছে কি না জানতে চান এসআই। এতে তিনি চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন।

একপর্যায়ে শিয়া মসজিদের বিপরীতে একটি ইলেকট্রিকের দোকানে জোর করে পুলিশ সদস্যরা তাকে নিয়ে যান। সেখানে নেয়ার পর এসআই রতন তাকে অনৈতিক প্রস্তাবও দেন।

ভুক্তভোগী আরো অভিযোগ করে বলেন, তিনি ওই এসআইকে ভার্সিটিতে পড়ালেখার পরিচয়পত্র দেখান। তারপরও তাকে ইয়াবা ব্যবসায়ী বানানোর অপচেষ্টা করা হয়।

অভিযুক্ত এসআই রতন কুমারের দাবি, ওই শিক্ষার্থীকে রিকশা থেকে নামিয়ে তল্লাশি করা হয়নি। তাকে আগে থেকেই চেনেন তিনি। আদাবরের যুবদল নেতা সজিব আহমেদ রানার স্ত্রী। তার স্বামীর বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগ রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*