Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | চলতি মাসে ৪০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে তাপমাত্রা

চলতি মাসে ৪০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে তাপমাত্রা

image_printপ্রিন্ট করুন

নিউজ ডেক্স : চলতি মাসে তীব্র তাপপ্রবাহের পাশাপাশি তীব্র কালবৈশাখী এমনকি ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া অফিস দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানিয়েছে।

সোমবার (৫ এপ্রিল) অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এপ্রিলে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এছাড়া দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ২ থেকে ৩ দিন বজ্র ও শিলাবৃষ্টিসহ মাঝারি অথবা তীব্র কালবৈশাখী ঝড় ও দেশের অন্যত্র ৫ থেকে ৭ দিন বজ্র ও শিলাবৃষ্টিসহ হালকা অথকা মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে।

চলতি মাসে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে একটি তীব্র তাপপ্রবাহসহ (৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি) সারাদেশে ১ থেকে ২টি মৃদু (৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

অন্যদিকে মাসের শেষার্ধে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন ভারতীয় অংশে ভারী বৃষ্টিজনিত কারণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কতিপয় এলাকায় পানি সমতল দ্রুত বেড়ে আকস্মিক বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্বাভাসে মার্চের আবহাওয়ার পর্যবেক্ষণও তুলে ধরা হয়েছে।  

এতে উল্লেখ করা হয়, মার্চ মাসে সারাদেশে স্বাভাবিক অপেক্ষা কম (-৭৯ দশমিক ৬ শতাংশ) বৃষ্টি হয়েছে। তবে, সিলেট বিভাগে স্বাভাবিক বৃষ্টি হয়েছে। পশ্চিমা ও পূবালী লঘুচাপের প্রভাব কম থাকায় অন্যান্য বিভাগে স্বাভাবিক অপেক্ষা কম বৃষ্টি হয়েছে।

পশ্চিমা লঘুচাপের সঙ্গে পূবালী বায়ু প্রবাহের সংযোগে এবং বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে জলীয় বাষ্পের যোগান বাড়ায় ২৯ থেকে ৩১ মার্চ সময়ে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া এবং বিজলী চমকানোসহ সিলেট, চট্টগ্রাম, ঢাকা ও রংপুর বিভাগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হয়। এ সময় বাতাসের  সর্বোচ্চ গতিবেগ ৯২ কিলোমিটার/ঘণ্টা, সিলেটে (৩০ মার্চ) রেকর্ড করা হয়।

পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় তাপীয় লঘুচাপ অবস্থান করায় ২১ থেকে ২৯ মার্চ সময়ে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের অনেক স্থানে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ (৩৬-৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বয়ে যায়। এ সময় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীতাকুণ্ডে (২৩ মার্চ) রেকর্ড করা হয়।পূর্বাভাসটি ইতোমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!