
নিউজ ডেক্স : চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট থানার মাদারবাড়ি এলাকায় গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ী মো. হারুনের (৪০) মৃত্যু হয়েছে। নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে বসা অবস্থায় তাকে গুলি করা হয়েছে।
রোববার (০৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে কদমতলী শুভপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে।

হারুন প্রয়াত বিএনপি নেতা দস্তগীর চৌধুরীর ভাই আলমগীর চৌধুরীর ছেলে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব।
হারুন নগরীর সদরঘাট থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বলে জানিয়েছেন নগর বিএনপির সভাপতি ডা.শাহাদাৎ হোসেন।
নগর পুলিশের কোতয়ালী জোনের সহকারি কমিশনার মো.জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় তিন কাউন্সিলর মিলে শুভপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আনন্দ সমাবেশ ও শোভযাত্রার আয়োজন করেছিলেন। শোভযাত্রার এক পর্যায়ে হারুনকে গুলি করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম বলেন, হারুনের বুকে তিনটি গুলি লেগেছিল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছিল। তবে বাঁচানো যায়নি।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তিন কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, মো.জোবায়ের এবং আব্দুল কাদের মিলে শোভাযাত্রা ও সমাবেশের এই কর্মসূচি দিয়েছিলেন।
হাসান মুরাদ বিপ্লব বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে শোভযাত্রা ও সমাবেশ শেষ করেছি। শোভাযাত্রার শেষদিকে পেছন দিকে গুলির শব্দ শুনি। তারপর আমি গিয়ে হারুনকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখি। তাকে আমি টেক্সিতে তুলে হাসপাতালে পাঠাই। পরে জানতে পারি হারুন দস্তগীর সাহেবের ভাই আলমগীর সাহেবের ছেলে।
‘কারা, কি কারণে তাকে গুলি করল সেটা আমরা জানি না। সম্ভবত সুযোগসন্ধানী কেউ আমাদের শোভাযাত্রার কারণে জনসমাগমের সুযোগ নিয়ে এই কাজ করেছে।’
সদরঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমিন বলেন, হারুনের ট্রান্সপোর্ট ব্যবসা আছে। তিনি সমাবেশ-শোভাযাত্রায় ছিলেন না। তার প্রতিষ্ঠানের ভেতরে তাকে লক্ষ্য করে কেউ গুলি করেছে। কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে সেটা আমরা তদন্ত করে দেখছি।
হারুন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছেন পরিদর্শক রুহুল আমিন। -বাংলানিউজ
Lohagaranews24 Your Trusted News Partner