ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | কমছেই না পলিথিনের ব্যবহার

কমছেই না পলিথিনের ব্যবহার

file (7)

নিউজ ডেস্ক : বেড়েই চলেছে পলিথিনের ব্যবহার। সরকারের নিষেধাজ্ঞা ও ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান সত্ত্বেও যেন বন্ধ হচ্ছে না পরিবেশ বিধ্বংসী পলিথিনের ব্যবহার। বরং দামে সস্তা ও ব্যবহারে সহজলভ্য হওয়ায় পলিথিনের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পলিথিন কৃষি জমির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। পলিথিন পুঁতে যাওয়ায় মাটিতে থাকা অণুজীবগুলোর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে না। মাটির নিচে পানি চলাচলেও প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। এর ফলে মাটির স্বাভাবিক কাজগুলো ব্যাহত হচ্ছে।

তাদের মতে, পলিথিন থেকে সৃষ্ট এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া ক্যান্সার ও ত্বকের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে। ডায়রিয়া ও আমাশয় রোগও ছড়াতে পারে। এছাড়া রঙিন পলিথিন জনস্বাস্থ্যের জন্য আরও বেশি ক্ষতিকর। ক্যাডমিয়াম শিশুদের হাড়ের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত করে এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়।

এদিকে, পলিথিনের বিভিন্ন ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে পরিবেশবাদিরা ও সরকার জনসচেতনা চালালেও দৃশ্যত তা গায়ে মাখছেন না প্রস্তুতকারক ও ব্যবহারকারীরা। ফলে বাংলাদেশ সরকার পলিথিন উৎপাদন, বিপনন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে ২০০২ সালে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। তবে এর যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় তাতেও যেন কাজ হচ্ছে না।

বাংলাদেশ পরিবেশ বান্ধব শপিং ব্যাগ প্রস্তুতকারক অর্গানাইজেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল হোসেন বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এ একটি ধারা ৬(ক) সংযোজিত হয়। ২০০২ সালের ১১ আগস্ট অপর এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সাময়িক ভাবে বিস্কুট, চানাচুর জাতীয় কিছু খাদ্যদ্রব্যের মোড়ক হিসাবে পলিথিন ব্যবহার করা যাবে। তবে সেগুলো অবশ্যই ১০০ মাইক্রনের উপর হতে হবে।

তিনি আরো বলেন, উক্ত আইনে ১৫ ধারায় বলা হয়, যদি কেউ নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন সামগ্রী উৎপাদন, বাজারজাত করে তবে শাস্তি হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড বা দশ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড।

এ বিষয়ে আইন কি মানা হচ্ছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আইনের সঠিক বাস্তবায়ন না থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবাধে নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন ও বাজারজাত করছে। দেখে মনে হয় আইন করে পলিথিন উৎপাদন করতে বলা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*