Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | কক্সবাজার সৈকতে ঈদ আনন্দে মেতেছে ভ্রমণপিপাসুরা

কক্সবাজার সৈকতে ঈদ আনন্দে মেতেছে ভ্রমণপিপাসুরা

নিউজ ডেক্স : ঈদের টানা ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঈদ আনন্দে মেতেছেন ভ্রমণপিপাসুরা। নোনাজলে সমুদ্রস্নানের পাশাপাশি মেতেছেন সৈকতের বালিয়াড়িতে নাগরদোলা, বিচ বাইক ও ঘোড়ার পিঠে আনন্দে।

পর্যটকরা বলছেন, ভিন্নভাবে ঈদ উদযাপনে সৈকতে ছুটে আসা। আর পর্যটকদের নিরাপত্তার পাশাপাশি সেবামূলক কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

শনিবার (২২ এপ্রিল) ঈদুল ফিতরের দিন সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেও বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে দেখা নেই পর্যটকের। কিন্তু সূর্যের তেজ কমতেই সৈকতে দলে দলে নামতে শুরু করে ভ্রমণপিপাসুরা। ঢেউয়ের তীব্রতা কিছুটা কম থাকায় নোনাজলে নেমেছেন সব বয়সের মানুষ। ঈদ আনন্দে মেতেছেন সবাই।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সৈকতে আসা পর্যটকদের আনন্দ দিতে বালিয়াড়িতে রয়েছে নাগরদোলা, বিচ বাইক ও ঘোড়া। নাগরদোলায় চড়ে বেশ আনন্দে কাটছে শিশুদের সময়। পাশাপাশি আনন্দ করছে বিচ বাইক ও ঘোড়ার পিঠে চড়ে।

সিলেট থেকে আগত পর্যটক মাহবুব বলেন, প্রতিবছরই মা-বাবা সঙ্গে ঈদ করা হয়। কিন্তু এবার বন্ধুদের সঙ্গে মনোরম পরিবেশ ঈদ উদযাপন করার জন্য কক্সবাজার ছুটে এসেছি। এখানে ঈদ উদযাপন করতে পেরে খুবই ভাল লাগছে।

আরেক পর্যটক রহিম উদ্দিন বলেন, কক্সবাজার এসেছি ২০ এপ্রিল আর চলে যাব ২৪ এপ্রিল। এরই মধ্যে ইনানী, হিমছড়ি, দরিয়ানগর ও কক্সবাজার সৈকত ঘুরেছি। রোববার রামুর বৌদ্ধ বিহারসহ নাইক্ষ্যংছড়ি লেকে ঘুরতে যাব। ঈদটা খুবই উপভোগ করছি কক্সবাজারে।

ঈদের আগেই অনেক পর্যটক ছুটে এসেছেন কক্সবাজারে। আর পরিবার নিয়ে ঈদের ছুটি কাটানোর পাশাপাশি সৈকতপাড়ে উপভোগ করছে ভিন্ন এক ঈদ উৎসব।

এদিকে, ঈদে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তায় সজাগ প্রশাসন। প্রতিনিয়ত টহল দেয়ার পাশাপাশি প্রতিটি পয়েন্টে সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

সুগন্ধা পয়েন্টে দায়িত্বরত ট্যুরিস্ট পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইকরাম হোসেন বলেন, সৈকত, হোটেল-মোটেল, জোন ও পর্যটন স্পটগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পর্যটকদের সেবা দেয়ার জন্য সৈকতে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, হঠাৎ কেউ অসুস্থ হলে চিকিৎসার ব্যবস্থাসহ নানা সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের টানা ছুটিতে আগামী এক সপ্তাহে সৈকত শহর কক্সবাজারে ১০ লাখের বেশি পর্যটকের আগমন হবে। -আজাদী অনলাইন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!