ব্রেকিং নিউজ
Home | লোহাগাড়ার সংবাদ | একটি ব্রীজের অভাবে

একটি ব্রীজের অভাবে

01

মোঃ জামাল উদ্দিন : উত্তর পদুয়ার হাঙ্গর খালের নাছির চৌধুরী ঘাটায় একটি ব্রীজ নির্মিত হলে লোহাগাড়া-সাতকানিয়ার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে। এলাকার লোকজনের দূর্ভোগ লাঘব হবে। বহুবার বহুজন এ ব্রীজের আশ্বাস দিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হয়েছেন। এলাকাবাসীদের চোখের জল হাঙ্গর খালের পানির সাথে মিশে গেছে। তাদের দুঃখের কিনারা হয়নি। ভূক্তভোগীরা অবিলম্বে একটি ব্রীজ স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ব্রীজটি মোহাম্মদ পুর, পদুয়া ও সাতকানিয়ার ছদাহা, বিল্লিয়া পাড়া সংযোগস্থলে অবস্থিত। ব্রীজের পশ্চিম পার্শ্বে রাস্তাটি আরকান সড়কের সাথে মিশে গেছে এবং পূর্বপ্রান্তের রাস্তাটি খোদ্দ কেওচিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত। এলাকাটি কৃষি প্রধান অঞ্চল হিসেবে খ্যাত। এখানে প্রচুর সিম, টমেটো, বেগুনসহ বিভিন্ন রবিশষ্য উৎপাদিত হয়। এলাকাবাসীরা উৎপাদিত ফসল পদুয়া, ঠাকুরদিঘী ও শিশুতল বাজারে বাজারজাত করেন। এসব সজ্বি চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্নস্থানে চালান হয়। চাষীরা ব্রীজটি অতিক্রম করার সময় প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েন। অনেকে ক্ষণস্থায়ী তত্তার ব্রীজের উপর থেকে পড়ে যান বলে এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেছেন। এ এলাকার শিক্ষার্থীরা ব্রীজটি অতিক্রম করে করইয়ানগর ও মিঠাদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ে যাতায়াত করেন। তারাও অন্তহীন দূর্ভোগ পোহান। ব্রীজের উত্তর পার্শ্বে নুনু চৌধুরী পাড়া হতে হাঙ্গর খালটি পুনঃ খনন করে ঠাকুরদিঘী হয়ে হাঙ্গরমুখ পর্যন্ত চলমান রয়েছে। নুনু চৌধুরীর ঘাটায় এ ব্রীজের মুখ আঁড়ি বাঁধ দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন খালটি খনন করা হলেও আঁড়ি বাঁধটি অপসারিত হয়নি। ফলে হাঙ্গরখালটি বর্তমানে মাহালিয়া হয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আঁড়ি বাঁধটি অপসারিত হলে খালের স্রোত পদুয়া, ঠাকুরদিঘী হয়ে হাঙ্গরমুখ পর্যন্ত চলে যাবে। এ অবস্থায় প্রবাহমান স্রোতের কারণে এলাকাবাসীরা আগামী বর্ষামৌসুমে নদীটি অতিক্রম করতে পারবেন না এবং ক্ষণস্থায়ী তত্তার ব্রীজটিও ভেসে যাবার আশংকা করছেন এলাকাবাসী। তারা বর্ষা মৌসুমের আগে খনন করা হাঙ্গর খালের উপর দীর্ঘস্থায়ী এ ব্রীজটি নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*