ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | উখিয়া-টেকনাফে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ চলছে

উখিয়া-টেকনাফে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ চলছে

K H Manik Ukhiya Pic 15-02-2018 (4)

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া : কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে দুই শত গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে। রোহিঙ্গাদের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা হিসেবে এসব নলকূপ পাচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দারা। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে নলকূপ স্থাপনের কাজ চলছে। প্রায় ২কোটি ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২শ গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ ৩০ মে’র মধ্যে শেষ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল অধিদপ্তর। গত জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে উখিয়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও টেকনাফের বিভিন্ন গ্রামে গভীর নলকূপ গুলো স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১ হাজার গভীর নলকূপের বরাদ্ধকৃত নলকূপ থেকে রোহিঙ্গাদের কারণে চরম ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় দুইশত গভীর নলকূপ স্থাপনের দাবী উঠে। প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর স্থানীয়দের ক্ষতির কথা চিন্তা করে প্রত্যেক গ্রামে গভীর নলকূপ স্থাপনের পক্ষে মতামত দেন। তারই প্রেক্ষিতে ২শ গভীর নলকূপ বরাদ্ধ পায় স্থানীয় গ্রামবাসী। এদিকে নলকূপ স্থাপনের কাজ প্রায় ৫০ভাগ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উখিয়া জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী মো: ইকবাল হোসাইন সিএসবি ২৪ ডটকমকে বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জন্য বরাদ্ধকৃত ১ হাজার গভীর নলকূপ থেকে দুইশত নলকূপ ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় দেওয়ার জন্য উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি প্রস্তাব করেন। তাঁর প্রস্তাবে সরকার দুইশত নলকূপ বরাদ্ধ দেন। যা ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা সমূহে স্থাপনের কাজ চলছে।

প্রকৌশলী আরো বলেন, সাংসদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এসব এলাকার মানুষ গভীর নলকূপ গুলো পেয়েছে। তিনি চেষ্টা না করলে দুইশত গভীর নলকূপ পাওয়া সম্ভব হতো না। ঠিকাদার শরীফ নিজাম উদ্দিন জানান, তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গভীর নলকূপের কাজ দ্রুত গতিতে চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামবাসীদের জন্য বরাদ্ধকৃত কিছু নলকূপও তিনি পেয়েছেন। সরকারী বিধি মোতাবেক সুন্দর ও সুষ্টু ভাবে স্থাপনের কাজ চলছে। তাঁর কাজে কোন ধরণের হেরফের ও অসঙ্গতি নেই। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে তার গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজের গুণগত মান দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আশা করি সরকারের সিডিউল অনুযায়ী যথাসময়ে কাজ বুঝিয়ে দিতে পারবো। গভীর নলকূপ প্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের পশ্চিম দরগাহবিল গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মিয়াজী, মাওলানা আবদুর রহমান, ছৈয়দ আলম, গফুর চৌধুরী বলেছেন স্থানীয় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পাওয়া গভীর নলকূপের গুণগত মান ভালো হয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী স্থাপিত টিউবওয়েল থেকে ভালো পানি পাওয়া যাচ্ছে। আশা করি শুস্ক মৌসুমের নিরাপদ পানির চাহিদা মেটাতে আর কষ্ট হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*