Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | ইটভাটায় টপ সয়েল ব্যবহার বন্ধ হবে : গণপূর্তমন্ত্রী

ইটভাটায় টপ সয়েল ব্যবহার বন্ধ হবে : গণপূর্তমন্ত্রী

Eng_Mosaraf_BG20181005123038

নিউজ ডেক্স : ২০২০ সালের পর ইট তৈরির জন্য ইটভাটায় টপ সয়েল ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। শুক্রবার (৫ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএফএল) আয়োজিত গ্রিন অ্যান্ড পিপিপি কনভেনশন অ্যান্ড এক্সপো’র উদ্বোধনকালে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, ৫ বছরে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনেক হাউজিং প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি। নতুন আবাসনগুলো গ্রিন কনসেপ্টে হচ্ছে। পানিকে সম্পদে পরিণত করতে উদ্যোগ নিচ্ছি। বৃষ্টির পানি ধরে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সরকারি সংস্থাগুলোর ভবন নির্মাণে। সব শৌচাগারে ফ্লাশের কাজে খাবারের পানি ব্যবহার করা যাবে না।

তিনি বলেন, গ্রিন কারখানা নিয়ে ইতিমধ্যে আমরা কাজ শুরু করছি। গ্রিন কনসেপ্ট নিয়ে না এগোলে বাংলাদেশের জন্য ক্ষতি হবে। বিশ্বব্যাংকের এবারের প্রতিপাদ্য ছিল কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা।

গৃহস্থালি বর্জ্য থেকে, কাগজ, কাচ, পলিথিন আলাদা করে কম্পোস্ট সারসহ নানা ধরনের মূল্যবান জিনিসপত্র তৈরির জন্য সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, জাম্বুরি পার্ক অল্প টাকায় করে লাখো মানুষের হৃদয় জয় করেছি। বায়েজিদে একটি পার্ক করছি। চট্টগ্রামের প্রাণস্পন্দন ডিসি হিল। এটি সুন্দর করার জন্য বড় প্রকল্প নিচ্ছি। জিইসি মোড়ে ৫০ তলা বাণিজ্যিক ভবন হবে, যেখানে সিনেপ্লেক্সসহ বিশাল কর্মযজ্ঞ হবে।

নগরের জিইসি কনভেনশন সেন্টারে বিআইএফএফএলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফরমানুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম ও ফটিকছড়ির পরিবেশবান্ধব কারখানা ফনিক্স সিরামিক অ্যান্ড অটো ব্রিকসের উদ্যোক্তা এটিএম পেয়ারুল ইসলাম।

মাহবুবুল আলম বলেন, পিপিপি ভালো মডেল। কিন্তু বাংলাদেশে জনপ্রিয় হয়নি পিপিপি। চট্টগ্রামের উন্নয়ন হলে দেশের উন্নয়ন হবে এটা সবাই বোঝে। বিআইএফএফএলকে চট্টগ্রামে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে হবে।

স্বাগত বক্তব্যে বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর স্পেশালিস্ট একেএম আবদুল্লাহ বলেন, আধুনিক বিশ্বে উন্নয়ন হচ্ছে পরিবেশের ক্ষতি না করে। বিশ্বব্যাংক গ্রিন কারখানাকে সুবিধা দিচ্ছে।

তিনি বলেন, কিছু ব্যবস্থা নিলে বিদ্যুৎ কারখানার দূষিত বর্জ্য নির্গমন বন্ধ করা সম্ভব। তাহলে সেটি হবে পরিবেশবান্ধব। পরিবেশের ক্ষতি তাৎক্ষণিক না হওয়ায় অনেকে উদাসীন থাকেন। পরিবেশ অধিদফতরে কারিগরি, জনবলের অভাব রয়েছে। জবাবদিহির ব্যবস্থা করতে হবে।

এটিএম পেয়ারুল ইসলাম বলেন, একঝাঁক কর্মবীরের কারণে বিআইএফএফএলের কোনো প্রকল্প মাঝপথে বন্ধ হয়েছে এমন নজির নেই। তিন বছর আগে আমরা যুক্ত হই। তাদের নজরদারি অন্য অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বেশি।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের বাংলা ইটভাটার কারণে কোটি কোটি গাছ কাটা হচ্ছে। চট্টগ্রামে ৪০০ কোটি ইট তৈরি হয়। আমাদের গ্রিন ব্রিকসে জমির টপ সয়েল লাগে না। আমরা প্রতিদিন ১ লাখ ৬০ হাজার ইট তৈরি করব। বেলা পৌনে ১২টায় ফিতা কেটে তিন দিনের মেলার উদ্বোধন করেন গণপূর্তমন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*