ব্রেকিং নিউজ
Home | দেশ-বিদেশের সংবাদ | আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণে বিশ্বের রোল মডেল হবে বাংলাদেশ : পলক

আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণে বিশ্বের রোল মডেল হবে বাংলাদেশ : পলক

polok20160205105553

নিউজ ডেস্ক : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ফ্রিল্যান্সিংয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান আরো সংহত করতে আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণের একটি আন্তর্জাতিক রোল মডেল তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে প্রথমে ১০ হাজার তরুণ-তরুণীকে ছয় মাসব্যাপী প্রশিক্ষণের পাইলটিং করা হচ্ছে। শুক্রবার মন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা প্রশিক্ষণের কোর্স ডিজাইন এবং হাতে-কলমে এমনভাবে তা শেখানো হবে যাতে একজন প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ চলাকালে মাসে ন্যূনতম ২০০ ডলার আয় করতে পারেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রশিক্ষণ কোর্সটি কার্যকর এবং সাফল্যের সঙ্গে শেষ হলে এটি হবে আন্তর্জাতিক রোল মডেল। কারণ এ প্রশিক্ষণে একজন প্রশিক্ষণার্থীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেট প্লেসগুলোর যোগসূত্র স্থাপিত হবে এবং তিনি ওই সব মার্কেট প্লেস থেকে কাজ নিয়ে আয় করেই কোর্স শেষ করবেন। পরবর্তীতে তার আয়ের এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

এলআইসটি প্রকল্পের এ প্রশিক্ষণের সাফল্যের উপর ভিত্তি করে মডেলটি যাতে ভবিষ্যতে অন্যরা আউটসোর্সিংয়ের প্রশিক্ষণে অনুসরণ করে সে উদ্যোগ নেয়া হবে। যাতে মানুষকে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির পথ বাতলে দেয়া যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত প্রতি পরিবার থেকে একজনের কর্মসংস্থান করার লক্ষ্য এগিয়ে নেয়ায় এর অন্যতম লক্ষ্য।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন মার্কেট প্লেসে বাংলাদেশের পাঁচ লক্ষাধিক নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সার রয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় আড়াই লাখ সক্রিয় যারা বিশ্বে দেশের অবস্থানকে সুসংহত করেছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা ও ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এটি কারনির প্রতিবেদনে দেশ চার ধাপ এগিয়েছে। এরও আগে বিশ্বের বড় অনলাইন মর্কেট প্লেস ওডেক্সে আউটসোর্সিংয়ে ঢাকার অবস্থান ছিল তৃতীয়। দেশের এ অবস্থানকে শীর্ষে নিতে আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণের একটি আন্তর্জাতিক মডেল দাঁড় করানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।এলআইসিটি প্রকল্প আউটসোর্সিং কোর্স চালুর লক্ষ্যে ইতোমধ্যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, সকল আনুষ্ঠিকতা শেষে আগামী তিন মাসের মধ্যে এ কোর্স চালু হবে।

এলআইসিটি প্রকল্পের আইটি/আইটিইএস কম্পোনেন্ট টীম লিডার সামি আহমেদ বলেন, আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি প্রশিক্ষণের গুণগত মানের উপর। সে জন্য প্রশিক্ষণ শেষে প্রতিটি ব্যাচের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। যিনি সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হবেন তাকে সার্টিফিকেট দেয়া হবে। দেশে-বিদেশের সকল কর্মক্ষেত্রে যার গ্রহণযোগ্যতা থাকবে।

সূত্রমতে, এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্নেন্স (এলআইসিটি) প্রকল্প ১০ হাজার তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে ছয় মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করতে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*